The #1 Wapkiz Template Provider

অ্যান্ড্রয়েডর জন্য ৭ টি বেস্ট মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপস (পর্ব-১)

অ্যান্ড্রয়েডর জন্য ৭ টি বেস্ট মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপস (পর্ব-১)

পর্ব-১ : অ্যান্ড্রয়েডর জন্য ৭ টি বেস্ট মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপস, আমার সেই সকল বন্ধুদের জন্য যারা মিউজিক শুনতে অনেক ভালোবাসে। আর বন্ধুরা স্মার্টফোন মানুষের জীবনযাত্রায় বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধা করে দিয়েছে তা তো আমরা সবাই জানি। যেমন পূর্বে যেখানে ফোন দিয়ে শুধুমাত্র কথা বলা ও টুকটাক এসএমএস পাঠানো যেত। সেখানে এখন স্মার্টফোন আসার পর মোবাইলে এখন অনেক কিছুই করা সম্ভব। বিশেষ করে ছবি তোলা, অডিও ভিডিও করা, গান শোনা, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, এইচডি গেমইং সহ আরো অনেক কাজ এখন স্মার্টফোনেই সেরে নেওয়া যায়। তবে আর যাই হোক স্মার্টফোনে মিউজিক আমরা কম বেশি সবাই শুনে থাকি। আর এই মিউজিক প্লেয়ারের স্বাদ নেওয়ার জন্য রয়েছে অ্যান্ড্রয়েডের নিজস্ব মিউজিক প্লেয়ার এবং গুগলের গুগোল প্লে মিউজিক অ্যাপটি।

আজ আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম অ্যান্ড্রয়েডর জন্য ৭ টি বেস্ট মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপস। আর এটি হলো পর্ব ১ এবং আমি কয়েক দিন পর আরো অ্যান্ড্রয়েডর জন্য ৭ টি বেস্ট মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপস (পর্ব-২) এ আলোচনা করবো। তাই এই দুইটি পর্ব পড়ার বেস্ট মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপস নিয়ে আপনাদের আর অন্য কোথাও খুজতে হবে না আপনার শুধু এই পর্ব-১পর্ব-২ দেখলে চলবে। তো চলুন আর বকবক না করে আজকের মুল টপিক অ্যান্ড্রয়েডর জন্য ৭ টি বেস্ট মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপস দেখে নেওয়া যাক।

সেরা ৭: পালসার - Pulsar

সেরা ৭: পালসার - Pulsar Music Player

Pulsar য়ে রয়েছে সুন্দর ক্রাফকৃত মেটারিয়াল ডিজাইন যা আপনার কাছে বেশ প্রিমিয়াম একটি ফিল দেবে  অবশ্যই আমার দেখা সেরা গানের মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপগুলির মধ্যে একটি। আমি এই মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপটি প্রায় সাত আট মাস এর বেশি ব্যাবহার করেছে। আর আমার কাছে এর সুন্দর ক্রাফকৃত মেটারিয়াল ডিজাইনটি সবথেকে ভালো লেগেছে। এছাড়াও ট্যাগ এডিটিং, ফাঁকবিহীন প্লেব্যাক, স্মার্ট প্লেলিস্ট, একটি স্লিপ টাইমার এবং Last.fm স্ক্রোব্লিং যুক্ত থাকা ফিচারগুলো আমার অনেক ভালে লেগেছে।

Pulsar য়ে ক্রোমকাস্ট সাপট এবং কয়েকটি সেরা অ্যান্ড্রয়েড অটো সাপট রয়েছে। অ্যাপটি অনেক বৈশিষ্টের অধিকারী নয়, তবে তা এমনটি নির্দেশ করে না যে অ্যাপটি খারাপ। আর আপনি যদি একটি মিনিমাল, লাইটওয়েট এবং ভাল দেখতে কিছু খুঁজছেন তবে এই মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপটি আপনার জন্য দুর্দান্ত বিকল্প।

প্রো ভার্সনটি সস্তা এবং এটি আরও কয়েকটি বৈশিষ্ট্য যুক্ত করে। ফ্রি বা প্রিমিয়াম ভার্সনের কোনওটিরই বিজ্ঞাপন নেই।

সেরা ৬: ডাবলটিউইস্ট - DoubleTwist

সেরা ৬: ডাবলটিউইস্ট - DoubleTwist Music Player

DoubleTwist কিন্তু শুধুমাত্র একটি মিউজিক প্লেয়ার নয় বরং এটি একই সাথে একটি podcast ম্যানেজার হিসেবেও কাজ করবে। এতে রয়েছে মিউজিক sync ফাংশন যা দিয়ে আপনার সকল ডিভাইসের মিউজিকেই সিঙ্কিং করতে পারবেন, বিশেষ করে আইটিউনস লাইব্রেরি এতে আপনি ইম্পোর্ট করতে পারবেন।

অ্যাপল এয়ারপ্লে সাপোর্ট ($ 5.99) এবং একটি প্রিমিয়াম ভার্সন ($ 8.99) এর জন্য একটি অ্যাড-অন রয়েছে। যা একটি 10-band equalizer, একটি সুপার সাউন্ড ফিসার, থিম এবং কিছু অন্যান্য স্টাফ সহ এয়ারপ্লে সমর্থন যুক্ত করে। এছাড়াও, ফ্রী ভার্সনে আপনাকে আপনার অঞ্চলে রেডিও স্টেশনগুলি শুনতে দেয়। যাতে একটি সঙ্গীত স্ট্রিমিং উপাদানও থাকে। এমনকি পডকাস্ট শ্রোতার জন্য কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে যেমন প্রিমিয়াম ভার্সনে রয়েছে নীরবতা এড়িয়ে যাওয়ার ক্ষমতা। আর মূল কথা হলো এর ডিজাইনও বেশ চমৎকার।

সেরা ৫: লিসেনইট - LISTENit

সেরা ৫: লিসেনইট - LISTENit Music Player

নামটা সম্ভবত আপনার কাছে পরিচিত মনে হতে পারে। আমরা সবাই প্রায় ফোনে Shareit ব্যাবহার করি ফাইল শেয়ার করার কাজে। এই অ্যাপটি এই Shareit কর্পোরেশনের তৈরি। অর্থাৎ, যে ডেভেলপার Shareit অ্যাপটি ডেভেলপ করেছে, ওই একই ডেভেলপারের তৈরি Listenit মিউজিক প্লেয়ার। 

Listenit মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপটির ইউজার ইন্টারফেসও বেশ মিনিমাল এবং অ্যাপটিও বেশ লাইটওয়েট। এই অ্যাপটির সাহায্যে আপনি আপনার ফোনের স্টোরেজের গানগুলো নিশ্চিতভাবেই প্লে করতে পারবেন। তাছাড়া, এই অ্যাপটির একটি বড় অনলাইন মিউজিক লাইব্রেরিও আছে যেখান থেকে আপনি আপনার ইচ্ছামত গান স্ট্রিম করে শুনতে পারবেন। কিন্তু, তাই বলে এটা ভাববেন না যে এদের অনলাইন লাইব্রেরি Spotify বা Saavn এর মত এত বড়। ৫০% সময়ই আপনি অনলাইন লাইব্রেরিতে আপনি যে গানটি খুঁজছেন সেটি পাবেন না। কিন্তু মোটামুটি প্রায় সব জনপ্রিয় গানই পাবেন। 

এছাড়া সাপ্তাহিক ট্রেন্ডিং সংগুলোও স্ট্রিম করতে পারবেন। কিন্তু অনলাইন মিউজিক প্লেয়ার হিসেবে এটি আমার মতে খুব একটা ভালো নয়।। এছাড়া, বাকি ফিচারগুলোর কথা বলতে হলে, আপনি আগেরগুলোর মতই মিউজিক ট্যাগ এডিট করতে পারবেন, থিম এবং ইউজার ইন্টারফেস কাস্টোমাইজ করতে পারবেন নিজের ইচ্ছামত এবং এই অ্যাপে আপনি একটি বিল্ট ইন মিউজিক ইকুয়ালাইজারও পাবেন যার সাহায্যে আপনি মিউজিক নিজের ইচ্ছামত টিউন করতে পারবেন। আরও একটি ভালো ফিচার হচ্ছে, এই অ্যাপে আপনি গান থেকে রিংটোনও তৈরি করতে পারবেন। কিন্তু এই অ্যাপটির বড় একটি ডিসঅ্যাডভান্টেজ হচ্ছে, এটি অ্যাডফ্রি অ্যাপ নয়।

সেরা ৪: রকেট - Rocket

সেরা ৪: রকেট - Rocket Music Player

রকেট মিউজিক প্লেয়ার অ্যান্ড্রয়েডের জন্য আরেকটি সুন্দর চেহারা এবং অত্যন্ত কার্যকরী সঙ্গীত প্লেয়ার। এটিতে রয়েছে PowerAMP এর মতো 10-band Equalizer, এমবেডড লিরিক্স সাপট, ট্যাগ এডিটিং, Chromecast সাপট, এবং অ্যান্ড্রয়েড অটো সাপট সহ বেসিকগুলির সাথে আসে। আর এটিতে থাকা অসামান্য অ্যান্ড্রয়েড অটো সাপট রয়েছে এবং গুগল সহকারীদের সাথে সত্যিই কোনো রকম সমস্যা ছাড়াই অনেক ভাল ভাবে কাজ করে।

অ্যাপ্লিকেশনটির কিছু সুন্দর ছোট ছোট অংশ রয়েছে এবং সেটিংস মেনুটি দেখতে কিছুটা পুরানো দেখাচ্ছিলো। তবে এছাড়া অন্য সমস্ত কিছু দেখতে বেশ ভাল লাগেছে। আর এই মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপসটির প্রিমিয়াম ভার্সনে Ads Remove বা বিজ্ঞাপনগুলি সরিয়ে দেয়। তবে আপনি এর ফ্রী ভার্সন অন্য অ্যাপগুলোর মতো বিজ্ঞান দেখায়। আর এটির মধ্যে আমি তেমন খুব খারাপ দেখি না।

সেরা ৩: এআইএমপি - AIMP

সেরা ৩: এআইএমপি - AIMP Music Player

AIMP মোটামুটি শক্তিশালী একটি অ্যান্ড্রয়েড মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপস । এটি FLAC, MP3,  MP4 এবং আরো অনেক ধারণের সাধারণ সংগীত ফাইলের প্রকারকে সমর্থন করে।  আপনি এই অ্যাপটিতে নানা রকম কাস্টমাইজ করে নিতে পারেন। এছাড়াও এখানে অনেক থিম সহ অন্যান্য মজাদার জিনিসগুলিও পাবেন। অ্যাপ্লিকেশনটির একটি সহজ ইউজার ইন্টারফেস (UI) রয়েছে। আর আমাদের কাছাকাছি আসতে এবং গান শুনতে কোনও সমস্যা আমার হয়নি আর আপনাদেরও  হবে না। 

এই অ্যান্ড্রয়েড মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপসে রয়েছে অনেক সুন্দর এবং সাধারণ একটি ইন্টারফেস। আমার কছে এর অসামান্য ইকুয়ালাইজার, এইচটিটিপি লাইভ স্ট্রিমিং এবং ভলিউম সাধারণকরণেরও সাধারণের তুলনায় অনেক প্রশংসা মনে হয়েছে। এই কারণে এটি অবশ্যই বেশিরভাগ বেসিক সংগীত প্লেয়ার অ্যাপ্লিকেশন থেকে এক ধাপ এগিয়ে। 

এটির ডেস্কটপ সংস্করণও রয়েছে। বলা চলে এক ঢেলে দুই পাখি মারার মতো অবস্থা।  একমাত্র নেতিবাচকতা হল MIUI এবং EMUI ডিভাইসগুলির সাথে সম্ভাব্য সামঞ্জস্যের সমস্যা। এছাড়া এই AIMP অ্যান্ড্রয়েড মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপসটির মধ্যে তেমন কোনো সমস্যা নেই।

সেরা ২: পাই - Pi

সেরা ২: পাই - Pi Music Player

লিস্টের 2 নং স্থানে রয়েছে Pi Music Player | যারা আমার মতো প্লেয়ারের ডিজাইন নিয়ে বেশি চিন্তিত থাকেন তাদের জন্য এটা অন্যতম সেরা চয়েস হবে । দীর্ঘ দুই বছর ধরে আমি এই মিউজিক প্লেয়ারটি ব্যবহার করে আসছি। Pi Music Player য়ে রয়েছে সুন্দর ক্রাফকৃত মেটারিয়াল ডিজাইন যা আপনার কাছে বেশ প্রিমিয়াম একটি ফিল দেবে । ডিজাইনের পাশাপাশি সকল বেসিক মিউজিক ফিচার আপনি পেয়ে যাবেন Pi Music Player য়ে ।

Pi Music Player ইউটিউব ভিডিও সাপোর্ট (এবং আপনি যখন অন্য অ্যাপ্লিকেশনগুলিতে নেভিগেট কররেন তখন একটি ইউটিউব প্লেয়ার ভাসমান অবস্থায় থাকবে), পডকাস্ট, একটি রিংটোন কাটার এবং আপনার বন্ধুদের মিউজিক শেয়ার করে নেওয়ার জন্য পাই পাওয়ারশেয়ার সহ এক আকর্ষণীয় গ্র্যাব ব্যাগ নিয়ে আসে।

অ্যাপটিতে ২৫ টি প্রিসেট এবং ৪ টি ভিজ্যুয়াল থিম আছে। এই প্রিসেট ও থিম ব্যাবহার করে আপনি নিজের মনের মতো করে সাজাতে পারবেন। এছাড়াও আরো তো আছে 5-Band Equalizer। এই মিউজিক প্লেয়ারটির প্রো ভার্সন ব্যাবহার করলে আপনি আরও ভিজ্যুয়াল কাস্টমাইজেশন লক্ষ করতে পারেন। পাশাপাশি এই প্রো ভার্সনে বিজ্ঞাপনগুলি সরিয়ে দেওয়া হয়।


সেরা ১: মুসিক্সম্যাচ - Musixmatch (বেস্ট মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপসের তালিকায় শীর্ষে)

সেরা ১: মুসিক্সম্যাচ - Musixmatch Music Player

থার্ড পার্টি মিউজিক প্লেয়ার হিসেবে সম্ভবত এটি সবথেকে জনপ্রিয় অ্যাপ। তাই এটির স্তার লিস্টের ১ নম্বরে। কারণ, যারা থার্ড পার্টি মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপ ব্যাবহার করেন, তাদের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি মানুষের প্রথম পছন্দ এটি। কারণ, এই অ্যাপটিতে শুধুমাত্র গান শোনা ছাড়াও আরও অনেক ফিচারস রয়েছে যেগুলো আপনি অন্যান্য থার্ড পার্টি মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপে পাবেন না। লিরিক্স-প্রেমীদের কাছে এই মিউজিক প্লেয়ারটি ফার্স্ট চয়েজ। 

যারা গান শুনতে শুনতে স্ক্রিনে গানের লিরিক্স দেখতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য বেস্ট মিউজিক প্লেয়ার এটি। আপনার স্টোরেজে থাকা গানগুলোর ট্যাগ ইনফরমেশন সঠিক হলে, আপনি গান প্লে করার সময় স্ক্রিনে গানটির লিরিক্স দেখতে পাবেন। এছাড়াও, অ্যাপটিকে পারমিশন দিলে অন্যান্য মিউজিক প্লেয়ারে গান প্লে করার সময়ও এটি চ্যাট হেডের মত একটি ফ্লোটিং উইন্ডোরে লিরিক্স দেখাবে। এছাড়া আপনি যেকোনো গানের লিরিক্স অনেকগুলো ভাষায় ট্রান্সলেট করেও দেখতে পারবেন। যেমন, আপনি একটি ইংরেজি গানের লিরিক্স চাইলে বাংলায়ও দেখতে পারবেন এই অ্যাপের সাহায্যে।

এখানেই শেষ নয়, আপনি চাইলে ইউটিউবে কোনও মিউজিক ভিডিও প্লে করার সময়ও ভিডিওর নিচে ফ্লোটিং উইন্ডোতে লিরিক্স দেখতে পারবেন। একটি নাম না জানা গান প্লে করলে এই অ্যাপটি আপনাকে নোটিফিকেশন বারের সাহায্যে জানিয়ে দেবে যে গানটির নাম কি এবং গানটি কার গাওয়া। এর থেকেও আরও ইন্টারেস্টিং ফিচার হচ্ছে, লিরিক্স কার্ড তৈরি করা। আপনি চাইলে কোনও গানের লিরিক্স এর সাহায্যে একটি আর্টওয়ার্ক তৈরি করতে পারবেন এবং সেটা সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ারও করতে পারবেন। এছাড়া, গানের ট্যাগ স্বয়ংক্রিয়ভাবে এডিট করা, গানের কভার আর্ট চেঞ্জ করা এসব ফিচারতো থাকছেই। 

এই অ্যাপটির ইউজার ইন্টারফেসও অনেক সুন্দর। কিন্তু এই মিউজিক প্লেয়ারটির একটি অসুবিধা হচ্ছে, অ্যাডস। কিন্তু অ্যাড ফ্রি ভার্শনও আছে। কিন্তু সেটি পেতে হলে আপনাকে গুনতে হবে প্রায় ১২০০ টাকা প্রতি বছর। কিন্তু অ্যাপটির ফিচারসগুলো কনসিডার করে কিছু পপআপ অ্যাডস মেনে নেওয়াই যায়।যদি আপনি এই সব মেনে নিতে না পারেন তবে আমার মতে Premium অ্যাপস ব্যবহার করবেন।

শেষ কথা

আপনি যদি সংগীত ভালোবাসেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে একটি মিউজিক প্লেয়ারের সাথে পরিচিত হতে হবে। বেছে নিতে হবে সেই মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপটি যার মাধ্যমে আপনি সহজেই মনের মতাে সাজিয়ে নিতে পারবেন আপনার পছন্দের প্লে লিস্ট। এখানে গুগল প্লে স্টোরের ৭ টি বেস্ট মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপস নিয়ে আলােচনা করা হয়েছে। আর এটিই হচ্ছে সেরা মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপসের পর্ব-১। কয়েকদিন পরে আমি এর পর্ব-২ নিয়ে হাযির হবো।

আমার দেওয়া লেস্টের ১৪ টি বেস্ট মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপসই হলো প্লে স্টোরে থাকা টপ ডাউনলোড ও হাই রেটিং এর অ্যাপস। তাই প্লে স্টোরে খোঁজা খুঁজে না করে খুল অল্প সময়ের মধ্যে আপনার জন্য বেস্ট মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপসটি বেছি। আর দেরি না করে ডাউনলােড করে নিন আপনার পছন্দের মিউজিক প্লেয়ারটি। এছাড়াও আমার লিস্টে যুক্ত করা উচিৎ এমন কোনো সেরা মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপস সম্পর্কে আপনি যেনে থাকলে বা ব্যাবহার করলে কমেন্ট বক্সের মধ্যে জানাবেন। 

পর্ব-২ দেখার দাওয়াত রইলো। এ বকম ইন্টারেসটিং অ্যাপস সম্পর্কে জানতে ক্লিক লুর নিয়মিত ভিজিট করুন। এতক্ষণ ধরে ধর্য সহকারে পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

Comments

Please comment on how you like our Template

Blog Archive

Contact Form

Send